১৯ সেপ্টেম্বর ২০১০ - ১৯:৩০

পেট্রোস সাফীর, লেবাননে অবস্থানরত ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের রাষ্ট্রদূত ও ইরানের কালচারাল কাউন্সেলরের সাথে সাক্ষাতাকালে পবিত্র কোরআন অবমাননার নিন্দা জানিয়ে বলেন: এ ঘৃণিত পদক্ষেপের মাধ্যমে শুধুমাত্র কোরআনকেই অবমাননা করা হয়নি বরং ইঞ্জিলকেও অবমাননা করা হয়েছে।

আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা আবনার রিপোর্ট : এ সাক্ষাতে লেবাননের মারুনী খ্রীষ্টানদের ধর্মীয় নেতা পেট্রোস সাফীর উক্ত ঘৃন্য পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন: এ পদক্ষেপ গ্রহণকারীরা শুধুমাত্র কোরআনকেই অবমাননা করেনি বরং তারা ইঞ্জিলকেও অবমাননা করেছে। খ্রীষ্টান ও মুসলমানদের উচিত এ ধরণের পদক্ষেপের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকা এবং সাম্রাজ্যবাদীরা যেন তাদের কুউদ্দেশ্যে পৌঁছুতে না পারে সেদিকে দৃষ্টি রাখা।

এ সাক্ষাত অনুষ্ঠানে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের রাষ্ট্রদূত ড. রুকন আবাদী পবিত্র কোরআন অবমাননার ঘটনার নিন্দা জানান। তিনি জনাব পেট্রোস সাফীরের এহেন মন্তব্য ও উক্ত উগ্রতার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ার কারণে তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে বলেন: এ ঘটনা ঐশী ধর্মসমূহের বিরুদ্ধে পূর্ব পরিকল্পিত একটি পদক্ষেপের অংশ স্বরূপ এবং এর পিছনে যে ইসরাইলসহ অন্যান্য দখলদার ও সাম্রাজ্যবাদীদের হাত রয়েছে তা স্পষ্টভাবে অনুধাবনযোগ্য।

তিনি বলেন: তাদের এ পরিকল্পনায় শুধুমাত্র পবিত্র কোরআনই অবমাননার শিকার হয়নি বরং বিগত বছরগুলোতে আমরা দেখেছি যে, তারা ইঞ্জিল, হযরত ঈসা মসীহ (আ.) এবং হযরত মারইয়াম (আ.) এর অবমাননা করতে কুণ্ঠা বোধ করেনি।

ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের রাষ্ট্রদূত বলেন: তারা খ্রীষ্টান ও মুসলমানদের মাঝে দ্বন্দ সৃষ্টির মাধ্যমে নিজেদের কুউদ্দেশ্য হাসিল করতে চায়। সুতরাং এ ক্ষেত্রে মুসলমান ও খ্রীষ্টানদের মাঝে বিশেষ করে এ দু’টি ঐশী ধর্মের নেতাদের মাঝে ঐক্য ও সংহতি জোরদার করা অতীব জরুরী। আর লেবাননের ধর্মীয় নেতারা এ ঘৃণ্য পদক্ষেপের বিরুদ্ধে উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন বলে আমি আশাবাদী।

শেইখ আব্দুল আমির কেবলান পবিত্র কোরআন অবমাননার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন: পবিত্র কোরআনই হচ্ছে একমাত্র ঐশী গ্রন্থ যাতে কোনরূপ বিভ্রান্তি ঘটেনি। আর এটা মুসলমানদের একমাত্র আসমানী গ্রন্থ সুতরাং এর প্রতি অবমাননা সহনীয় নয়।

তিনি এ ধরণের উগ্র পদক্ষেপের নিন্দায় লেবাননের বিভিন্ন মাযহাবের নেতাদের ঐক্যের প্রতি আহ্বান জানান।

সাইয়্যেদ জাওয়াদ তাবাতাবায়ী, ইসলামি সংস্কৃতি ও যোগাযোগ সংস্থার সংবাদ বিভাগ।#